অভিশাপ

গল্প : অভিশাপ

পর্ব : (১)

Hi, friends. ১ম এই জানাই Happy Valentine's Day. আজ আমি একটা গল্প বলবো কিন্তু আমি এর সমাধান এখন ও পাইনি। 👇 , ১ম এই বলি আমার রাশি তুলা রাশি। তাই মাঝে মাঝে paranormal বিষয় বুঝতে পারি।

নামাজ পড়ি , তো দৈনিক যেভাবে এশা নামাজে যাই সেভাবেই যাচ্ছি লাম। কিন্তু সমস্যা হলো, আসলে আমাদের ঐ মসজিদটা একটু দূরে ছিলো ,আর যেতে হলে ১টা করব স্থান পাড় হতে হতো। যায় হক আমি ভীতু ছেলে ছিলাম না অবশ্য। , কিন্তু কবর স্থান এর পরে একটা পুরা বাড়ি ছিলো দেখেতো মনে হতো ২০০ বছরের পুরানো।

 অনেকের মুখ অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু আমি কখনো কিছু বুঝিনি। অনেকে নাকি ঐ বাড়ি পার হওয়ার সময় ঐ বিল্ডিং এর ছাদে কোন এক মেয়েকে দাড়ি থাকতে দেখেছে। আমি ও বেশ কয়েক দিন দেখেছি কিন্তু আমি ঐ ভাবে বিষয়টা নিইনি। কারণ মাঝে মাঝে ঐ সব হতো। তো ঐ রাতে নামাজে যাওয়ার সময় আমি একবার ঐ বিল্ডিং এর দিকে তাকিয়ে দেখি ঐ মেয়েটা হাঁটা হাঁটি করছে।

 আমি বিষয়টা ভাবিনি কারণ ওকে তো আমি মাঝে মাঝেই দেখি। তো আমি নিচের দিকে তাকিয়ে মসজিদে চলে গেলাম। , ২৫ মিনিট পর,,,,,,,,,, , নামাজ শেষ করে। আমি আমার ফোনটা বেরকরে আমার একটা বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম। তারপর ঐ রাস্তায় দেখলাম কোন আলো নাই। তারপর ফোনে কথা বলা বন্ধ করে ফোনের লাইটা অন করলাম। যাতে যাতে ঐ বিল্ডিং এর সামনে আসলাম। আমি ঐ বিল্ডিং এর পিছন দিয়ে যাচ্ছি লাম। আমি ভাবলাম একটু ওপরে তাকিয়ে দেখি, যে মেয়েটা আছে নাকি। তো দেখে এবার মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে।


বাংলা গল্প


 আমি চাঁদের আলোতে হালকা দেখতে পাচ্ছিলাম । , তো আমি একটু ভয় পেলাম। তারপরও সাহস করে সামনে যাচ্ছিলাম, আমি যখনি বিল্ডিংটা পার হবো। তখনে উপর থেকে একটা বিকট শব্দ আসলো আমি বুঝেছি ঐ মেয়েটার। শব্দটা হলো, " কোথায় গিয়েছিলে " , আমি এটা শুনে, আমার মনে হলো আমার শরীর থেকে আত্মাটা বের হয়ে যাবে। কারণ আমি এতো দিন দেখেছি ঐ মেয়েটা শুধু আমাকে দাড়িয়ে দেখতো এখনো তো কথাও বলে।

 আমি ভাবছিলাম এখন না দৌড় দিলে। হয়তো আমি কখনো দৌড়ানোর সুযোগ পাবোনা। তারপর শান্ত করলাম মনটাকে ভাবলাম আজ পালালে কাল ও আবার আমাকে ধরবে তাই আমি ভাবছিলাম ওর সামনা সামনি হবো। সাহস করে পিছনে তাকালাম দেখলাম ।

 ঐ মেয়েটা উপরেই দাড়িয়ে আছে আমি ভাবছি, মেয়েটা যদি মানুষ হয়ে তাহলে তো ও বিল্ডিং এ উপরে উঠলে শিরি দিয়ে উঠবে কিন্তু এখানে তো সব বন্ধ। ,আমি নামাজ পরতাম কিন্তু মাঝে মাঝে সিগারেটও খেতাম। তো লাইটার আমার পকেটে ছিলো। আমি শুনেছি শয়তানরা নাকি আগুন দেখে ভয় পায়। তো কিছু শুকনো পাতা নিলাম তারপর বড় করে আগুন ধরালাম। মেয়েটা কিন্তু ঐ জায়গায় দাড়িয়ে ছিলো। তারপর আমি নিচে দাড়ি দেখছিলাম ও কী করে। সে আমাকে দেখলো কিছু সময় তারপর ওর চোখ গুলো লালা হয়ে গেলো ।

মনে হচ্ছে চোখ থেকে আলো বের হচ্ছে। একটু পর ও অদৃশ্য হয়ে গলো। আমি বুঝতে পেরেছি আমি ওকে রাগিয়ে দিয়েছি । তারপর আমি একটুও দেড়ি করিনি। আমি আমার বাড়ির দিকে দৌড় দিলাম। তারপর দৌড়ের সময় মনে হচ্ছিলো পিছুথেকে কেউ বলছিলো। কোথায় যাচ্ছিস । দাড়া দাড়া। মনি বুঝে গেছি দাড়ালে আমার কপালে খারাপ আছে। , বাড়ি আসলাম। তারপর সকালে আমার শরীরটা খারাপ হয়ে গেলে ,,,,,,,,,,,এর পরের কাহিনী next পাঠে তুলে ধরবো।।